টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেরা ক্রিকেটারদের তালিকা চূড়ান্ত করে ফেলল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি)। তালিকায় থাকা ক্রিকেটারদের মধ্যে থেকেই সার্বিক পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে বিশ্বকাপের সেরা ক্রিকেটারকে বেছে নেবেন নির্বাচকেরা। আট জনের তালিকায় জায়গা পেয়েছেন ভারতের এক ক্রিকেটার।
১) উইল জ্যাকস: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেরা ক্রিকেটারের দৌড়ে প্রথমেই নাম রয়েছে ইংল্যান্ডের জ্যাকসের। ইংল্যান্ডের অলরাউন্ডার ৮টি ম্যাচ খেলে ২২৬ রান করেছেন এবং ৯টি উইকেট নিয়েছেন। অলরাউন্ড পারফরম্যান্সের জন্য চার বার ম্যান অফ দ্য ম্যাচের পুরস্কার পেয়েছেন জ্যাকস। বিশ্বকাপে জ্যাকসকে ফিনিশার হিসাবে ব্যবহার করছেন ইংল্যান্ডের কোচ ব্রেন্ডন ম্যাকালাম। নতুন এই ভূমিকায় জ্যাকসের স্ট্রাইক রেট ১৭৬.৫৬।
২) শাহিবজাদা ফারহান: তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে পাকিস্তানের ফারহান। ওপেনিং ব্যাটার বিশ্বকাপে ৭টি ম্যাচ খেলে ৭৬.৬০ গড়ে ৩৮৩ রান করেছেন। তাঁর স্ট্রাইক রেট ১৬০.২৫। এক মাত্র ক্রিকেটার হিসাবে এ বারের বিশ্বকাপে একাধিক শতরানও করেছেন পাক ব্যাটার। করেছেন দু’টি অর্ধশতরান। এখনও পর্যন্ত তিনিই সবচেয়ে বেশি রান করেছেন এ বারের বিশ্বকাপে।
৩) লুঙ্গি এনগিডি: প্রতিযোগিতার সেরা ক্রিকেটার হওয়ার দৌড়ে রয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার এনগিডিও। ৭টি ম্যাচ খেলে প্রোটিয়া জোরে বোলার ১২টি উইকেট নিয়েছেন। ওভার প্রতি খরচ করেছেন ৭.১৯ রান। কানাডার বিরুদ্ধে ৪ উইকেট এবং আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ৩ উইকেট নেন এনগিডি। ভারতের বিরুদ্ধে উইকেট না পেলেও ৪ ওভারে দিয়েছিলেন মাত্র ১৫ রান।
৪) এডেন মার্করাম: তালিকায় রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক মার্করামের নামও। তিনি বিশ্বকাপের ৮টি ম্যাচে ২৮৬ রান করেছেন। ১টি উইকেটও নিয়েছেন। তিনটি অর্ধশতরান এসেছে মার্করামের ব্যাট থেকে। নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তাঁর অপরাজিত ৮৬ রানকে প্রতিযোগিতার অন্যতম সেরা ইনিংস হিসাবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধেও অপরাজিত ৮৬ রান করেছেন তিনি।
৫) রাচিন রবীন্দ্র: প্রতিযোগিতার সেরা ক্রিকেটার হওয়ার দৌড়ে নিউ জ়িল্যান্ডের রাচিনও। ভারতীয় বংশোদ্ভূত অলরাউন্ডার বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত ৮টি ম্যাচ থেকে ১১টি উইকেট নিয়েছেন। ১২৮ রান করেছেন ব্যাট হাতে। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ২৭ রানে ৪ উইকেট এবং ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ১৯ রানে ৩ উইকেট নেন। ব্যাটিং অলরাউন্ডার হিসাবে পরিচিত রাচিন এ বারের বিশ্বকাপের অন্যতম সফল স্পিনার।
৬) শ্যাডলে ফান শকউইক: আইসিসির তালিকায় জায়গা পেয়েছেন গ্রুপ পর্ব থেকে ছিটকে যাওয়া আমেরিকার এক ক্রিকেটারও। জোরে বোলার শকউইক ৪টি ম্যাচ খেলে ১৩টি উইকেট নিয়েছেন। ওভার প্রতি খরচ করেছেন ৬.৮০ রান। ভারত এবং পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৪টি করে উইকেট নিয়েছিলেন আমেরিকার বোলার। এখনও তিনি এ বারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উইকেট শিকারিদের তালিকায় শীর্ষে। ইংল্যান্ডের আদিল রশিদ, ভারতের বরুণ চক্রবর্তী এবং জিম্বাবোয়ের ব্লেসিং মুজারাবানিও ১৩টি করে উইকেট নিয়েছেন। তবে তাঁরা খেলেছেন যথাক্রমে আটটি, আটটি এবং ছ’টি ম্যাচ।
৭) টিম সেইফার্ট: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেরা ক্রিকেটার হওয়ার দৌড়ে রয়েছেন নিউ জিল্যান্ডের সেইফার্টও। কলকাতা নাইট রাইডার্সের ক্রিকেটার ৮টি ম্যাচ খেলে ৪৫.৬৬ গড়ে করেছেন ২৭৪ রান। তাঁর স্ট্রাইক রেট ১৬১.১৭। তিনটি অর্ধশতরান এসেছে তাঁর ব্যাট থেকে। তার মধ্যে রয়েছে সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ৩৩ বলে ৫৮ রানের ইনিংস।
৮) সঞ্জু স্যামসন: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেরা ক্রিকেটার হওয়ার দৌড়ে একমাত্র ভারতীয় হিসাবে রয়েছেন স্যামসন। প্রতিযোগিতার শুরুতে ভারতের প্রথম একাদশে জায়গা না পাওয়া উইকেটরক্ষক-ব্যাটার ৪টি ম্যাচ খেলে করেছেন ২৩২ রান। তাঁর গড় ৭৭.৩৩। স্ট্রাইট রেট ২০১.৭৩। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে অপরাজিত ৯৭ রানের ইনিংল খেলার পর ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে করেছেন ৮৯ রান। গুরুত্বপূর্ণ সময় ভারতীয় দলকে ব্যাট হাতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন কেরলের ক্রিকেটার। পর পর দু’ম্যাচে ম্যান অফ দ্য ম্যাচের পুরস্কার পাওয়া স্যামসন পরে শুরু করেও ঢুকে পড়েছেন প্রতিযোগিতার সেরাদের তালিকায়।
১) উইল জ্যাকস: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেরা ক্রিকেটারের দৌড়ে প্রথমেই নাম রয়েছে ইংল্যান্ডের জ্যাকসের। ইংল্যান্ডের অলরাউন্ডার ৮টি ম্যাচ খেলে ২২৬ রান করেছেন এবং ৯টি উইকেট নিয়েছেন। অলরাউন্ড পারফরম্যান্সের জন্য চার বার ম্যান অফ দ্য ম্যাচের পুরস্কার পেয়েছেন জ্যাকস। বিশ্বকাপে জ্যাকসকে ফিনিশার হিসাবে ব্যবহার করছেন ইংল্যান্ডের কোচ ব্রেন্ডন ম্যাকালাম। নতুন এই ভূমিকায় জ্যাকসের স্ট্রাইক রেট ১৭৬.৫৬।
২) শাহিবজাদা ফারহান: তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে পাকিস্তানের ফারহান। ওপেনিং ব্যাটার বিশ্বকাপে ৭টি ম্যাচ খেলে ৭৬.৬০ গড়ে ৩৮৩ রান করেছেন। তাঁর স্ট্রাইক রেট ১৬০.২৫। এক মাত্র ক্রিকেটার হিসাবে এ বারের বিশ্বকাপে একাধিক শতরানও করেছেন পাক ব্যাটার। করেছেন দু’টি অর্ধশতরান। এখনও পর্যন্ত তিনিই সবচেয়ে বেশি রান করেছেন এ বারের বিশ্বকাপে।
৩) লুঙ্গি এনগিডি: প্রতিযোগিতার সেরা ক্রিকেটার হওয়ার দৌড়ে রয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার এনগিডিও। ৭টি ম্যাচ খেলে প্রোটিয়া জোরে বোলার ১২টি উইকেট নিয়েছেন। ওভার প্রতি খরচ করেছেন ৭.১৯ রান। কানাডার বিরুদ্ধে ৪ উইকেট এবং আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ৩ উইকেট নেন এনগিডি। ভারতের বিরুদ্ধে উইকেট না পেলেও ৪ ওভারে দিয়েছিলেন মাত্র ১৫ রান।
৪) এডেন মার্করাম: তালিকায় রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক মার্করামের নামও। তিনি বিশ্বকাপের ৮টি ম্যাচে ২৮৬ রান করেছেন। ১টি উইকেটও নিয়েছেন। তিনটি অর্ধশতরান এসেছে মার্করামের ব্যাট থেকে। নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তাঁর অপরাজিত ৮৬ রানকে প্রতিযোগিতার অন্যতম সেরা ইনিংস হিসাবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধেও অপরাজিত ৮৬ রান করেছেন তিনি।
৫) রাচিন রবীন্দ্র: প্রতিযোগিতার সেরা ক্রিকেটার হওয়ার দৌড়ে নিউ জ়িল্যান্ডের রাচিনও। ভারতীয় বংশোদ্ভূত অলরাউন্ডার বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত ৮টি ম্যাচ থেকে ১১টি উইকেট নিয়েছেন। ১২৮ রান করেছেন ব্যাট হাতে। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ২৭ রানে ৪ উইকেট এবং ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ১৯ রানে ৩ উইকেট নেন। ব্যাটিং অলরাউন্ডার হিসাবে পরিচিত রাচিন এ বারের বিশ্বকাপের অন্যতম সফল স্পিনার।
৬) শ্যাডলে ফান শকউইক: আইসিসির তালিকায় জায়গা পেয়েছেন গ্রুপ পর্ব থেকে ছিটকে যাওয়া আমেরিকার এক ক্রিকেটারও। জোরে বোলার শকউইক ৪টি ম্যাচ খেলে ১৩টি উইকেট নিয়েছেন। ওভার প্রতি খরচ করেছেন ৬.৮০ রান। ভারত এবং পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৪টি করে উইকেট নিয়েছিলেন আমেরিকার বোলার। এখনও তিনি এ বারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উইকেট শিকারিদের তালিকায় শীর্ষে। ইংল্যান্ডের আদিল রশিদ, ভারতের বরুণ চক্রবর্তী এবং জিম্বাবোয়ের ব্লেসিং মুজারাবানিও ১৩টি করে উইকেট নিয়েছেন। তবে তাঁরা খেলেছেন যথাক্রমে আটটি, আটটি এবং ছ’টি ম্যাচ।
৭) টিম সেইফার্ট: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেরা ক্রিকেটার হওয়ার দৌড়ে রয়েছেন নিউ জিল্যান্ডের সেইফার্টও। কলকাতা নাইট রাইডার্সের ক্রিকেটার ৮টি ম্যাচ খেলে ৪৫.৬৬ গড়ে করেছেন ২৭৪ রান। তাঁর স্ট্রাইক রেট ১৬১.১৭। তিনটি অর্ধশতরান এসেছে তাঁর ব্যাট থেকে। তার মধ্যে রয়েছে সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ৩৩ বলে ৫৮ রানের ইনিংস।
৮) সঞ্জু স্যামসন: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেরা ক্রিকেটার হওয়ার দৌড়ে একমাত্র ভারতীয় হিসাবে রয়েছেন স্যামসন। প্রতিযোগিতার শুরুতে ভারতের প্রথম একাদশে জায়গা না পাওয়া উইকেটরক্ষক-ব্যাটার ৪টি ম্যাচ খেলে করেছেন ২৩২ রান। তাঁর গড় ৭৭.৩৩। স্ট্রাইট রেট ২০১.৭৩। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে অপরাজিত ৯৭ রানের ইনিংল খেলার পর ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে করেছেন ৮৯ রান। গুরুত্বপূর্ণ সময় ভারতীয় দলকে ব্যাট হাতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন কেরলের ক্রিকেটার। পর পর দু’ম্যাচে ম্যান অফ দ্য ম্যাচের পুরস্কার পাওয়া স্যামসন পরে শুরু করেও ঢুকে পড়েছেন প্রতিযোগিতার সেরাদের তালিকায়।
ক্রীড়া ডেস্ক